রোগ ডিরেক্টরি

আর্সেনিক দূষণ কি? আর্সেনিকে আক্রান্ত হলে করণীয়

আর্সেনিক দূষণ কি? আর্সেনিকে আক্রান্ত হলে করণীয়

আর্সেনিক কোন ছোঁয়াচে বা বংশগত রোগ নয়। স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেশি অর্থাৎ প্রতি লিটার পানিতে ০.০৫ মিলিগ্রামের চেয়ে বেশি আর্সেনিক থাকলে তা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। এর কোনো রং, গন্ধ ও স্বাদ নেই এবং এটি মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। আমাদের দেশের বেশিরভাগ এলাকায় টিউবওয়েলের পানিতে আর্সেনিক পাওয়া গেছে। আর্সেনিক আছে এমন টিউবওয়েলের পানি পান করলে অথবা রান্নার কাজে ব্যবহার করলে আর্সেনিকজনিত নানান রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

পানিতে আর্সেনিক আছে কিনা অথবা কি পরিমানে আছে তা খালি চোখে নির্ণয় করা যায় না। একারণে অনেক সময় না জেনে আমরা আর্সেনিকযুক্ত পানি পান করি অথবা রান্নার কাজে ব্যবহার কর এবং আর্সেনিকজনিত নানান রোগে আক্রান্ত হই। এভাবে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি পরিমাণে আর্সেনিক শরীরে গ্রহনের ফলে, ধীরে ধীরে তা শরীরে জমা হয়ে মানুষের দেহে আর্সেনিকের বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে। সাধারণত আর্সেনিকের বিষক্রিয়ার লক্ষণ ৬ মাস থেকে ২০ বছর, আবার অনেক ক্ষেত্রে এর চেয়েও বেশী পরে দেখা যেতে পারে। কত দিন পরে বিষক্রিয়া দেখা যাবে, সেটি নির্ভর করে মানুষের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উপর।

সাধারনত তিনভাবে মানুষের শরীরে আর্সেনিক প্রবেশ করতে পারে। যেমন- বাতাসের মাধ্যমে শ্বাসনালীর ভিতর দিয়ে, পানি ও খাদ্য গ্রহনের মাধ্যমে এবং ত্বকের মাধ্যমে শোষিত হয়ে শরীরে প্রবেশ করতে পারে। অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় বাংলাদেশে আর্সেনিক ঝুঁকি অনেক বেশি। সচেতনতা বৃদ্ধি করে আর্সেনিক মুক্ত পানি নিশ্চিত করার মাধ্যমে আর্সেনিকজনিত নানান রোগ থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব।

আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মান অনুযায়ী প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা ০.০১ মিলিগ্রাম। বাংলাদেশ সরকার নির্ধারিত, প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা ০.০৫ মিলিগ্রাম অর্থাৎ ০.০৫ মিলিগ্রামের বেশি আর্সেনিক থাকলে সে পানি পান করা কিংবা রান্নার কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

বাংলাদেশে আর্সেনিক দূষণের কারন
প্রাথমিক অবস্থায় অনেকের ধারণা ছিল বিভিন্ন সার, কীটনাশক ব্যবহার, কারখানার বর্জ্য নিষ্কাশন, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের খুঁটি যা আর্সেনিক যৌগ দ্বারা পরিশোধিত ইত্যাদির কারনে এই সমস্যাটি হয়েছে।

কিন্তু পরবর্তীকালে বিভিন্ন জরিপ ও গবেষণার ফলে গবেষকরা ধারনা করেন, এতো বিস্তৃত এলাকার দূষণ এসমস্ত উৎস থেকে হওয়া প্রায় অসম্ভব এবং কারণটি ভূতাত্ত্বিক।

সবশেষে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের একটি যৌথ গবেষক দল একটি বিকল্প তত্ত্ব দেন যে, বিভিন্ন উৎস থেকে আর্সেনিকযুক্ত পলি বদ্বীপ ও পলল সমভূমি অঞ্চলে জমা হয়। যেখানে আর্সেনিকের প্রধান বাহক হলো আয়রন অক্সিহাইড্রোক্সাইড নামের একটি মনিক মিনারেল। পরবর্তীকালে পলির সঙ্গে সঞ্চিত জৈব পদার্থ কর্তৃক অক্সিজেন আহরণের ফলে, পানিবাহী শিলাস্তরে বিজারিত অবস্থার সৃষ্টি হয় এবং বিজারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আয়রন অক্সিহাইড্রোক্সাইডের মধ্যে সংযোজিত আর্সেনিক ও আয়রন, ভূগর্ভস্থ পানিতে তরল অবস্থায় মুক্ত হয়। এভাবেই ভুগর্ভস্ত পানিতে আর্সেনিক ছড়িয়ে পড়ে।

আর্সেনিকে আক্রান্ত এলাকা
বাংলাদেশে ৬৪টি জেলার মধ্যে ৫৯টি জেলার নলকূপের পানিতে আর্সেনিক দূষণ পাওয়া গেছে এবং কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগরাছড়ি, বান্দরবান ও শেরপুর এই ৫টি জেলায় এখনও আর্সেনিক দূষণ পাওয়া যায়নি। পৃথিবীর অন্যান্য যেকোনো দেশের তুলনায় বাংলাদেশে বেশি সংখ্যক মানুষ আর্সেনিক দূষণে আক্রান্তের সম্ভাবনার মধ্যে বাস করেন।

আর্সেনিক আক্রান্ত রোগীর লক্ষণসমূহ
সাধারনত কোনো ব্যক্তির চুল, নখ ও চামড়া পরীক্ষা করলে সে আর্সেনিকে আক্রান্ত কিনা তা বোঝা যায়। একজন মানুষের শরীরে আর্সেনিকের লক্ষণ প্রকাশ পেতে ৬ মাস থেকে ২০ বছর আবার অনেক ক্ষেত্রে তার চেয়েও বেশি সময় লেগে যেতে পারে। আর্সেনিক আক্রান্ত রোগীর লক্ষণসমূহ নিম্নরুপঃ

  • প্রাথমিক অবস্থায় রোগীর গায়ে কালো কালো দাগ দেখা দেয় অথবা চামড়ার রং কালো হয়ে যায়। হাত ও পায়ের তালু শক্ত খসখসে হয়ে যায় এবং ছোট ছোট শক্ত গুটির মত দেখা দিতে পারে যা পরে কালো হয়ে যায়। গায়ের চামড়া মোটা ও খসখসে হয়ে যায়। বমি বমি ভাব কিংবা বমি হতে পারে। খাবারে অরুচি, পাতলা পায়খানা, রক্ত আমাশয়, মুখে ঘা ইত্যাদি দেখা দেয়। আবার কখনো কখনো জিহবার উপর কিংবা গায়ের ভিতর কালো হয়ে যেতে পারে।
  • পরবর্তীতে চামড়ার বিভিন্ন জায়গায় সাদা, লাল বা কালো দাগ দেখা যায়। হাত ও পা ফুলে ওঠে এবং হাত ও পায়ের তালু ফেটে শক্ত গুটি ওঠে।
  • সবশেষে কিডনি, লিভার ও ফুসফুস বড় হয়ে যায় ও টিউমার হয়। হাত ও পায়ে ঘা হয় এবং পচন ধরে। চামড়া, মূত্রথলি এবং ফুসফুসে ক্যান্সার হতে পারে আবার কিডনি ও লিভার অকেজো হয়ে যেতে পারে। আবার পেটে ব্যথা, মাথায় ব্যথা, রক্ত বমি ও জন্ডিস হতে পারে।

আর্সেনিক দূষণ কি? আর্সেনিকে আক্রান্ত হলে করণীয়

আর্সেনিক আক্রান্ত রোগীর করণীয়

  • আর্সেনিক মুক্ত পানি পান করতে হবে। নদী, পুকুর, বিল ইত্যাদির পানি পানের ক্ষেত্রে, ছেঁকে এবং ২০ মিনিট ফুটিয়ে বিশুদ্ধ করা যায়। বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করে পান করা যেতে পারে।
  • আর্সেনিকে আক্রান্ত রোগীর খাবারে কোন বিধিনিষেধ নেই। তবে শাক-সবজি, ফল ও পুষ্টিকর খাবার বেশি করে খেতে হবে।
  • আর্সেনিক রোগের প্রাথমিক উপসর্গ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসক অথবা স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মীর সাথে দেখা করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহন করতে হবে।

আর্সেনিক দূষণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য করণীয়

  • টিউবওয়েল বসানোর আগে অবশ্যই মাটির নিচের পানিতে আর্সেনিকের মাত্রা পরীক্ষা করে দেখতে হবে। পুরানো নলকূপের পানিতে আর্সেনিক মাত্রা এবং আশে পাশের টিউবওয়েলের পানিতে আর্সেনিকের মাত্রাও পরীক্ষা করতে হবে।
  • টিউবওয়েল বসানো শেষ হলে, গোড়া বাঁধানোর আগে আবার আর্সেনিক পরীক্ষা করাতে হবে।
  • টিউবওয়েলের পানিতে আর্সেনিকের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পাওয়া গেলে টিউবওয়েলের মুখ লাল রং করতে হবে। আর স্বাভাবিকের চেয়ে কম পাওয়া গেলে সবুজ রং করতে হবে।
  • লাল রং করা টিউবওয়েলের পানি পান করা বা রান্নার কাজে ব্যবহার করা যাবে না।
  • আর্সেনিক যুক্ত পানি ফুটিয়ে খাওয়া যাবে না কারণ ফুটালে আর্সেনিক দূর তো হয়ই না বরং পানি শুকিয়ে তাতে আর্সেনিকের ঘনত্ব আরো বেরে যাবে।
  • আর্সেনিক মুক্ত টিউবওয়েলের পানি প্রতি ৬ মাস পর পর পরীক্ষা করে দেখতে হবে পানি আর্সেনিক দূষণমুক্ত আছে কিনা।
  • কুয়ার পানিতে আর্সেনিক আছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখতে হবে।
  • বৃষ্টির পানি আর্সেনিক মুক্ত হওয়ায় তা সংগ্রহ করে খাওয়া ও রান্নার কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • পুকুর, নদী বা বিলের পানি বিশুদ্ধ করে পান করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে, ২০লিটার পানিতে আধা চামচ বা ১০মিলিগ্রাম ফিটকিরি মিশিয়ে অথবা ২০ মিনিট ফুটিয়ে বিশুদ্ধ করা যেতে পারে। ফিটকিরি ২ থেকে ৩ ঘন্টা রেখে দিলে ফিটকিরি মিশানো পানির ময়লা কলসির নিচে জমা হবে।

বৃষ্টির পানি সংগ্রহের পদ্ধতি
এই পদ্ধতিতে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করে রাখা হয়। বৃষ্টির পানি সংগ্রহের মাধ্যমে সম্পূর্ণ আর্সেনিকমুক্ত ও নিরাপদ পানি পাওয়া যায়। এই পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা বৃষ্টির পানি খাওয়া ও রান্নার কাজে ব্যবহার করা যাবে। নিম্নে বৃষ্টির পানি সংগ্রহের পদ্ধতি বর্ণনা করা হলঃ

  • প্রথমে বৃষ্টির পানি ধরে রাখার জন্য ঘরের পাশে একটি বড় ঢাকনাযুক্ত মটকা বা ট্যাংক প্রস্তুত রাখতে হবে।
  • টিনের ঘরের চালের টিন বাকিয়ে একটি নালা তৈরি করতে হবে। এই নালার সাথে ট্যাংকের সংযোগ থাকবে।
  • বৃষ্টি নামলে পানি চাল বেয়ে নালায় পড়বে এবং নালা দিয়ে পানি ট্যাংকে যেয়ে পড়বে।
  • খড়, ছন ও গোলপাতার ঘরের ক্ষেত্রে, চাল ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। তারপরে, একইভাবে এতেও একটি নালা তৈরি করতে হবে যা দিয়ে বৃষ্টির পানি ট্যাংকে গিয়ে পড়বে। ত্রিপল এমনভাবে ঘরের চালে ও খুঁটির সাথে বাঁধতে হবে যাতে পানি ত্রিপলে গিয়ে জমা হয়। তারপরে, ত্রিপলে একটি ছিদ্র করতে হবে যেখান দিয়ে পানি ট্যাংকে গিয়ে পড়বে।
  • বৃষ্টি শুরু হওয়ার ৫ মিনিট পরে পানি ট্যাংকে সংগ্রহ শুরু করতে হবে।
  • বছরে ২ থেকে ৩ বার ট্যাংক ভালভাবে পরিস্কার করতে হবে।

পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি নির্ণয়
পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি নির্ণয়ের জন্য দুটি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। একটি ফিল্ড কিটের মাধ্যমে এবং অপরটি পরীক্ষাগারে। আবার নিজে না করে উপজেলা বা জেলার পরীক্ষাগারে পানি নিয়ে গিয়েও পরীক্ষা করা যেতে পারে। ফিল্ড কিটের সাহায্যে খুব অল্প সময়ে পানি পরীক্ষা করে ফলাফল পাওয়া যায়। ফিল্ড কিটে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি থাকে যার সাহায্যে টিউবওয়েল থেকে পানি নিয়ে সাথে সাথেই পানি পরীক্ষা করে ফলাফল পাওয়া যায়।

আবার উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কিংবা বিভিন্ন এনজিও, যারা আর্সেনিক নিয়ে কাজ করে তাদের সাথে যোগাযোগ করেও আর্সেনিক পরীক্ষা করানো যায়।

আর্সেনিক পরীক্ষার জন্য যাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেনঃ

এশিয়া আর্সেনিক নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ
বাড়ি ৪৬, রোড ১৩/সি, ব্লক ই, বনানী, ঢাকা ১২১৩
ফোন: (০২)৯৮৯৪৪৯৩
ইমেইল: aandhaka@citech-bd.com

ওয়াটার এইড বাংলাদেশ
বাড়ি ৯৭ বি, রোড ২৫, ব্লক এ, বনানী, ঢাকা ১২১৩
ফোন: (০২)৮৮১৫৭৫৭
ফ্যাক্স: (০২)৮৮১৮৫২১
ইমেইল: info@wateraidbd.org

অ্যাকশন এইড বাংলাদেশ
বাড়ি ০৮, রোড ১৩৬, গুলশান ১ ঢাকা ১২১২
ফোন: (০২)৮৮৩৭৭৯৬, (০২)৯৮৯৪৩৩১
ইমেইল: mail@actionaid-bd.org

সবশেষে
আর্সেনিকযুক্ত পানি পান করলে মৃত্যু ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। সাধারনত পানিতে আর্সেনিকের পরিমান এবং একজন ব্যক্তি কতদিন যাবৎ সেই পানি পান করছেন, সেটার উপর তার মৃত্যুঝুঁকি নির্ভর করে। আর্সেনিকের বিষক্রিয়া যদিও মৃত্যুর প্রধান কারন নয়। কিন্তু এটি মৃত্যুঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দিতে পারে বিশেষ করে, যাদের ক্যান্সার, হ‌ৃদরোগ, ডায়বেটিসের মতো ক্রনিক ডিজিজে আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যুঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। প্রতিদিনের মোট আর্সেনিক গ্রহণ ও প্রস্রাবে আর্সেনিকের পরিমাণের মধ্যে একটি বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। পানিতে আর্সেনিক যত বেশি, মৃত্যুঝুঁকিও তত বেশি। এছাড়াও সাধারণ রোগে আক্রান্ত রোগীর খেত্রেও মৃত্যুঝুঁকিও প্রায় সমপরিমাণে বাড়ে।

কথায় আছে – রোগ বালাই বলে কয়ে আসে না। কথাটা পুরোপুরি সত্য নয়। যেকোনো অসুখ মারাত্মক আকার ধারণ করার আগে নানা ধরণের উপসর্গ দেখা দেয়। আমরা অনেক ক্ষেত্রেই সেসব উপসর্গকে গুরুত্ব সহকারে দেখি না। ফলে সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়ানো যায় না। অথচ সামান্য একটু সচেতনতাই পারে যেকোনো অসুখ প্রকট আকার ধারণ করার আগে আরোগ্য লাভের ক্ষেত্রে সাহায্য করতে। এ লক্ষে ই হাসপাতাল নিরসল কাজ করে যাচ্ছে। আমরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন অসুখের কারণ, লক্ষন ও প্রতিকার নিয়ে সাধারন মানুষকে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। আপনি চাইলে আপনার কি অসুখ হয়েছে বা হয়ে থাকতে পারে তা আমাদের ব্লগের রোগ ডিরেক্টরি থেকে বের করতেন। অথবা সরাসরি আমাদের কাছে ফোন করতে পারেন এই সংক্রান্ত পরামর্শের জন্য।

যেকোনো রোগে সময় স্বাস্থ্যসেবা আছে আপনার হাতের কাছেই! ই হাসপাতাল প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ হচ্ছে সকল প্রকার স্বাস্থ্যসেবা সাধারণ দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া, চিকিৎসা বিষয়ক সুপরামর্শ প্রদান করা, বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্টের ব্যবস্থা করে দেওয়া, প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তি ও সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা, দুর্লভ ঔষধ সমুহের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা, সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে ই হাসপাতাল।

জরুরী মুহূর্তে স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার জন্য অথবা আপনার স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যার সমাধান পাওয়ার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

ইমেইলঃ support@ehaspatal.com;  ওয়েবসাইটঃ http://ehaspatal.com/